বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩, ২০২৫
Google search engine
Homeপ্রধানবেবিচকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

বেবিচকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স গঠনের প্রস্তাব বাতিল এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিভাগের স্বার্থ সংরক্ষণের দাবিতে রাজধানীর বিমানবন্দরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় তাঁরা ‘দখলদার হটাও, সিভিল অ্যাভিয়েশন বাঁচাও’সহ নানা স্লোগান দেন।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বেবিচক সদর দপ্তরের সামনে তারা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। এক পর্যায়ে তারা উত্তরা সড়ক অবরোধও করেন।

প্রায় পাঁচ শতাধিক কথা কর্মচারী এ বিক্ষেভে অংশ নিয়েছেন। এ সময় তারা ছয়টি দাবি তুলে ধরেন।

এর মধ্যে রয়েছে- এভসেক বিভাগকে অকার্যকর করার সব ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে। বেবিচকের অর্গানোগ্রাম পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির কাঠামোগত শক্তিশালীকরণ নিশ্চিত করতে হবে। বেবিচকের অধীনে বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার অ্যাক্টের আওতায় সব জনবল প্রত্যাহার করতে হবে। ১০ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদের বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে হবে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের স্বনির্ভরতা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভায় সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স (BASF) গঠনের প্রস্তাব প্রণয়ন ও উত্থাপনের মাধ্যমে আমদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে

সরেজমিন দেখা যায়, আন্দোলনকারীরা সদরদপ্তর থেকে মিছিল নিয়ে মূল সড়কে যায়। এরপর সেখানে প্রায় আধাঘন্টা অবরোধ চলাকালীন সময় চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মঞ্জুর কবীর ভুইঁয়া উপস্থিত হয়ে তাদের শান্ত করে ফিরিয়ে নিয়ে যান।

আন্দোলনকারী হুমায়ন কবির, আব্দুল লতিফ ও মাসুদ রানা বলেন, ‘আমাদের দাবি যৌক্তিক। বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহারসহ আমাদের দাবি না মানা হলে আমরা আরও বৃহত্তর কর্মসূচি দেব।’

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়:

১.বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) একদম সুস্থ সবল বিভাগকে অকার্যকর করার সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে।

২.বেবিচকের অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানটির কাঠামোগত শক্তিশালীকরণ নিশ্চিত হয়।

৩.বেবিচকের অধীনে বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স গঠনের সকল কার্যক্রম অবলম্বনে বন্ধ করতে হবে।

৪.২০১৬ সালে চালকৃত In Aid to Civil Power এর আওতায় জনবল মোতায়েন কার্যক্রম থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার জন্য একটি সুস্পষ্টকারী ঘোষণা করতে হবে।

৫.১০ সদস্যের বেবিচক পর্ষদে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে হবে এবং প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

৬.বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নির্ভরতা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments