অস্ট্রেলিয়া দলে কী যে হলো! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ওয়ানডে থেকে অবসর নিয়েছেন মার্কাস স্টয়নিস। যে খবরটা ছিল অবাক করার মতো। এবার সেমিফাইনাল থেকে অজিদের বিদায় নেওয়ার পর ওয়ানডে থেকে হঠাৎ অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। তবে টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি খেলে যাবেন তিনি।
ভারতের কাছে প্রথম সেমিফাইনালে পরাজয়ের পরই অবসরের খবর সতীর্থদের জানিয়ে দেন স্মিথ। ৩৫ বছর বয়সী জানান, ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেটাই তার শেষ। তার মানে আসন্ন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে দলের অংশ হচ্ছেন না তিনি। অথচ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্যাট কামিন্সের অনুপস্থিতিতে দলকে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন।
অবসর নিয়ে স্মিথ বলেছেন, ‘এটা ছিল অসাধারণ একটি যাত্রা। যার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অসাধারণ সব স্মৃতি রয়েছে, কেটেছে দারুণ সময়। তার মধ্যে দুটি বিশ্বকাপ জয় ছিল অন্যতম সেরা মুহূর্ত। পাশাপাশি এই যাত্রায় যে সতীর্থরা অংশ নিয়েছেন, তারাও আমার কাছে বিশেষ।’
তিনি মূলত নতুনদের সুযোগ করে দিতেই অবসর ঘোষণা করেছেন। যার ইঙ্গিত ছিল তার কথায়, ‘এখন ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করার সময়। তাই সরে যাওয়ার এটাই সঠিক সময়।’
টি-টোয়েন্টি খেলে যাওয়ার কথা বললেও অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনায় হয়তো তিনি নেই। কারণ ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা হয়নি তার। তবে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ২০২৮ অলিম্পিক গেমসে অস্ট্রেলিয়াকে প্রতিনিধিত্ব করতে চান। তাই সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে নিজেকে উন্মুক্ত রেখেছেন তিনি।
স্মিথ ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা ব্যাটার হিসেবে অবসরে যাচ্ছেন। সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের তালিকায় অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তার অবস্থান ১২তম। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকাতেও তার অবস্থান ছয় নম্বর। তার সেঞ্চুরি ১২টি।
২০১৫ ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে অন্যতম অবদান ছিল তার। ২০১৫ সালের আসরে টানা ৫টি ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন। সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে করেছেন ১০৫ রান। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও করেছেন অপরাজিত ৫৬*।
২০১৫ সালে আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলের সদস্য ছিলেন। ২০১৪-১৫ এবং ২০২০-২১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ওয়ানডে খেলোয়াড়ের খেতাবও জিতেছেন তিনি। স্মিথ অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৬৪ ম্যাচ।
কপিঃ বাংলা ট্রিবিউন