গাজায় সমস্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। রবিবার (৯ মার্চ) গাজা উপত্যকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের ঘোষণায় সাক্ষর করেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ইলি কোহেন। গাজার অবশিষ্ট ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
গাজায় সকল ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার এক সপ্তাহ পর জ্বালানিমন্ত্রী ইলি কোহেনের এই ঘোষণা আসে। গাজায় ২০ লাখেরও বেশি মানুষ বসবাস করে।
রবিবার এক ভিডিও বার্তায় কোহেন বলেন, আমরা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করব আমাদের বন্দিদের ফিরিয়ে আনতে।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার এই সিদ্ধান্ত প্রধানত পানীয় জলের জন্য অপরিহার্য কার্যক্রমকে প্রভাবিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকার বলেছে, তারা পানি সরবরাহ বন্ধ করার বিষয়টিও উড়িয়ে দেয়নি।
যুদ্ধের শুরুতেই গাজায় বিদ্যুৎ সরবরাহের বেশিরভাগটাই বন্ধ করে দিয়েছিল ইসরায়েল। যুদ্ধের কারণে গাজার উপকূলীয় এলাকা এবং অবকাঠামো বিপর্যস্ত। ফলে কিছু বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর ও সৌর প্যানেল ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইসরায়েল গাজার সরবরাহ বন্ধ করায় আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার মুখে পড়েছে।
এদিকে সোমবার কাতারে গাজা যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
ইসরায়েল চায় হামাস প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর জন্য সম্মত হোক। কিন্তু হামাস চায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা হোক। এই আলোচনায় অবশিষ্ট বন্দিদের মুক্তি, ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ধারণা করা হচ্ছে, হামাসের হাতে বর্তমানে ২৪ জন জীবিত বন্দি রয়েছে, পাশাপাশি আরও ৩৫ জনের মরদেহও তাদের কাছে রয়েছে।